নিজস্ব প্রতিনিধি, পান্ডবেশ্বর :- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তথা ৪ঠা মে ২০২৬ এর আগে পশ্চিমবঙ্গ এর তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বিভিন্ন সময়ে তার মুখে শোনা গেছে পাণ্ডবেশ্বর সহ বিভিন্ন জায়গার অবৈধ বালির সিন্ডিকেট এর ব্যবসার কথা। রাজ্যে পালাবদল হতেই সরকারের মসনদে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী , আর তখন থেকেই বিভিন্ন সুশাসন ও আইনি ব্যবস্থা উপরে সর্বপেক্ষ নজর ও জোর দিচ্ছেন বর্তমান সরকার ফিরিয়ে আনতে চাইছেন আইনের শাসন। আর বিভিন্ন অনৈতিক ও দুর্নীতিমূলক কাজের উপরে লাগাম টানতে সচেষ্ট হয়েছেন। কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
মুখে শোনা গেছিল পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার গোগলা পঞ্চায়েতের অঞ্চল সভাপতি গৌতম ঘোষের কথা। অবৈধ বালি সিন্ডিকেট ব্যবসায় তার নাম মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় ছিল। আর রাজ্যে পালাবদলের কিছুদিনের মধ্যেই পুলিশের জালে গোগলা পঞ্চায়েতের তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি গৌতম ঘোষ। রাজনৈতিক মহল থেকে এলাকাবাসী প্রত্যেকেই চাইছেন অবৈধ বালি ব্যবসার লাগাম টানুক সরকার। কিন্তু প্রশ্ন এই গৌতম ঘোষের উপর আনা অভিযোগ আইনি পক্রিয়া তে কবে প্রমাণিত হবে এবং কবে সঠিক তদন্ত রিপোর্ট বের হবে তাঁর দিকে যেমন নজর থাকবে সাধারণ মানুষের মতন প্রতিটি এরকম দুর্নীতি মানুষকে কি ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে হয় সে দিকেই তাকিয়ে পান্ডবেশ্বর বাসী। স্থানীয় মানুষের মধ্যে গুঞ্জন যদি গৌতম ঘোষ এই অনৈতিক বালি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত তাহলে তার পেছনে কি আর কারো হাত আছে বা অন্য কেউ কি পরিচালনা করত এই ব্যবসার, না এই গৌতম ঘোষ ই ছিল মাস্টারমাইন্ড কিং পিন? এইসব প্রশ্ন উত্তর পেতে অপেক্ষায় সাধারণ মানুষ। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ গৌতম ঘোষ কে আদালতে হাজির করেন সঠিক বিচারের জন্যে। বিগত দিনে অভিযুক্ত গৌতম ঘোষের এলাকায় যে বিশেষ প্রভাব ছিল তা এলাকা জুড়ে চর্চায় । একটা সময় সাংবাদিকরা খবর করতে গেলে তারাও যথেষ্ট ভীত হতো তার ক্ষমতার প্রভাবে এমন সব নানান কথা এলাকায় গুঞ্জন তাহলে কোথাও কি চাপা সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছিল অভিযুক্ত এমন প্রশ্ন এখন এলাকার বিভিন্ন মহলে। নতুন সরকারের ' ভয় আউট ভরসা ইন ' কী তাহলে কায়েম হলো।
0 মন্তব্যসমূহ