সন্দীপ ভট্টাচার্য, দুর্গাপুর :- ১লা জুন ২০২৬ শিল্পপতি ও উদ্যোগপতিদের একটি সংগঠন মাসের প্রথমেই নবনির্বাচিত তিন বিধায়ককে সংবর্ধনা দিল দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হোটেলে। উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়,দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ চন্দ্র ঘড়ুই সহ পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারি মহাশয়। উক্ত
অনুষ্ঠানে শিল্পপতিদের তরফে রাজ্যে নতুন করে বিনিয়োগে যথেষ্ট উৎসাহ দেখা যায়। সেই সাথে তারা দাবি করেন যে সমস্ত কেন্দ্রীয় সরকারি পরিচালিত সংস্থা গুলি বন্ধ হয়ে রয়েছে সেগুলি যদি পুনরায় চালু করা হয় তাহলে অতি উত্তম আর না হলে সেই জমি যদি তাদেরকে দেওয়া হয় তাহলে তারা এখানে বিভিন্ন কর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্থানীয় ছেলেদের রোজগারের বিষয়ে গুরুত্ব
সহকারে কাজ করবেন। এই উক্ত অনুষ্ঠানে নির্বাচিত বিধায়ক ও শিল্পপতিদের মধ্যে একটি সমন্বয় গঠন করে কাজ করার ওপরে প্রস্তাব দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারি ও দুর্গাপুর পূর্বে বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় সহ দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ চন্দ্র ঘড়ুইয়ের বিভিন্ন প্রস্তাব শিল্পপতিদের মন কেড়ে নেয়।এই
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দুর্গাপুর সহ অন্ডাল, রানীগঞ্জ,উখড়া বিস্তীর্ণ অঞ্চলের যে সমস্ত উদ্যোগপতি ও শিল্পপতিরা বিভিন্ন ছোট বড় কলকারখানার পরিচালনা করেন তারা উপস্থিত ছিলেন। শিল্পপতিদের বিভিন্ন বক্তব্যের সময়ে উঠে আসেন যে তারা এক ভয়,কাটমানি এবং সন্ত্রাসের বাতাবরণে পূর্বের সরকারের আমলে কাজ করেছেন এবং তারা অনেক ক্ষেত্রেই বাধার সম্মুখীন হয়েছেন তাদের শিল্পের প্রসারে কিন্তু বর্তমান সরকার আসাতে তারা আশায় বুক বাধছেন নতুন করে শিল্পের জোয়ার এই শিল্পাঞ্চল জুড়ে আসার বিষয়ে। উদ্যোগ প্রতি ও শিল্পপতিরা উক্ত সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে তাদের বক্তব্যে বলেন যে অন্যান্য রাজ্যে যে নতুন উদ্যোগ ও শিল্পপতিদের একটি সিঙ্গেল উইন্ডোর মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে একাধিক বিষয়ে সহযোগিতা পাওয়া যায় প্রশাসনের তরফে এবং অনুমতি ক্ষেত্রে তা অনেক সহজ হয় শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এরকম একটি সিঙ্গেল উইন্ডো সিস্টেম যদি এ রাজ্যে চালু করা হয় তাহলে বিভিন্ন সময়ে শিল্পপতিদের বিভিন্ন সমস্যা অচিরেই দূর হবে এবং তারাও পশ্চিমবঙ্গ তথা এই শিল্পাঞ্চলে শিল্পের প্রসার ঘটাতে আগ্রহী হবেন।
0 মন্তব্যসমূহ