অভি ভট্টাচার্য, দুর্গাপুর,৫ই মে ২০২৬:- কর্মীদের 'চন্দ্র', সাধারণ ঝান্ডা নিয়ে ঘুরে বেরোনো বা দলের পুরোনো দিনের ছেলেদের 'চন্দ্র' তিনি। আর তাই ২০২৬ এর ভোট যুদ্ধে তৃণমূলের প্রদীপকে নিভিয়ে চন্দ্রশেখর এর চাঁদ আজ সিন্গ্ধ আলোয় দুর্গাপুর পূর্বে আলো দিচ্ছেন। রাজনীতি ঠান্ডা ঘরের চেয়ারে বসে হয় না। রাজনীতি হলো মাটির সঙ্গে জুড়ে থাকা ব্যক্তিদের। দুর্গাপুর পূর্বে বিজেপির টিকিটে নবনির্বাচিত এম,এল,এ চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় তার প্রকৃত উদাহরণ। সালটা 1998 যখন থেকে তিনি রাজনীতির আঙিনায় প্রবেশ করেছেন তখন থেকেই রাজনীতির ধারাপাতে তিনি যথেষ্ট সাবলীল। দুর্গাপুরে সিপিএম বিরোধী রাজনীতির অংশ তিনি। বলা যেতেই পারে আজ অব্দি যতগুলো আপনারা দুর্গাপুরের এম,এল,এ বা রাজনীতির কিং মেকিং হতে দেখেছেন তার একটা বড় কৃতিত্ব সবার আড়ালে এই চন্দ্রশেখরের। তিনি প্রকৃত অর্থে একজন কর্মী। একজন সেই কর্মী, যে মাটির গন্ধ বোঝে, যে কর্মীদের মন বোঝে। আর তাই ৪৪ ঊর্ধ এই ছেলেটি তাঁর ২৭ বছরের রাজনীতির জীবনে ছোট ছোট ধাপ পার করে উঠে এসেছে। ছাত্র রাজনীতি থেকে রাজ্য রাজনীতি বুক চিতিয়ে মুখে হাসি আর অহংকারহীন পথ চলা যে সাফল্য এনে দিলো সেই গতি বজায় থাকবে না ক্ষমতার দম্ভ তাঁকে আর পাঁচজন জনসংযোগহীন নেতৃত্বের তালিকায় জুড়বে সেটা সময় বলবে। এবারে বিধানসভায় দিকে দিকে গেরুয়া ঝড় আর সেই গেরুয়া ঝড়কে অব্যাহত রেখেছেন দুর্গাপুর পূর্বের প্রার্থী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। দুর্গাপুরের মানুষের কাছে যাওয়া, মানুষের কাছে পৌঁছে তাদের সঙ্গে জনসংযোগ করা এটাই ছিল মূল লক্ষ্য, মূল অস্ত্র। চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের এ বছরের রাজনীতিতে তার সাফল্যের চাবিকাঠি হিসেবে কর্মীদের মন জয় আর মানুষের কাছে তিনি প্রতিটা কর্মীকে প্রতিটা মুহূর্তে খোঁজ নেওয়া এগুলো ছিল কর্মীদের কাছে বড় ভরসার জায়গা। আর এইসবের ওপরেই ভর দিয়ে চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় করলেন তার রাজনীতির অঙ্কটা। তার নাম ঘোষণা হওয়ার পরের দিন সকালে যখন তিনি দিনটা শুরু করলেন মন্দিরে পুজো আর দলীয় কর্মীর শহীদ মূর্তিতে মাল্যদান করে সেই দিন "বেঙ্গল লেন্স "এর এই প্রতিবেদক প্রথম প্রশ্ন করেছিল যে চন্দ্রশেখর তুমি কি এবারে নিজে জীবন যুদ্ধে জয়ী হতে পারবে , সেই দিনেই তিনি বলেছিলেন 'জীবনের অনেক অংকই করেছি জীবনের অনেক অংকই অন্যের জন্য করেছি কিন্তু এই অংকটা করব নিজের জন্য। বিশ্বনাথ পারিয়াল বলুন আর যখন বিশ্বনাথ পারিয়াল দুর্গাপুরের আর এক রাজনৈতিক রত্ন অপূর্ব মুখার্জির ইলেকশনের দায়িত্ব তে সেই দিনেও ক্যামেরার সামনে মুখ না হয়ে তাঁদের সাজানো বাগানের মালি ছিলেন তিনি আর তাই ২০১৬ সালের তৃণমূলের মধ্য গগনে মমতা বিরোধী রাজনীতিতে বিশ্বনাথ পারিয়ালকে কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী করার কারিগর অথবা বিশ্বনাথ পারিয়াল কে ২০২১ সালে হারের মুখ দেখানোর কারিগর বলুন বা লক্ষন চন্দ্র ঘোড়ুই এর জয়ের সিংহাসনের একটি কারিগর বলুন। অথবা বলতে পারেন ২০২১ এর আগে বিজেপির দুর্বল সংগঠনকে এক মজবুত ভীত দেবার নেপথ্যে এই চন্দ্রশেখর এর ভূমিকা আনস্বীকার্য।
0 মন্তব্যসমূহ