(বিজেপির দুর্গাপুর ৩ নাম্বার মন্ডল সভাপতি কাকুলি গাঙ্গুলি)
(এলাকাবাসী বীরেন মন্ডল)
বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের মহিলাদের ক্ষোভ আর যার জেরে বছরের প্রথম দিন উত্তপ্ত দুর্গাপুরের কোকেওভেন থানা। এসিস্টেন্ট কমিশনার অফ পুলিশ সুবীর রায় কোকেওভেন থানায় উপস্থিত হন এবং প্রচুর পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আশীষ নগর এর বাসিন্দা নির্যাতিতার পরিবার ও নির্যাতিতার পুলিশি অভিয়োগের বয়াণের ভিত্তিতে ঘটনা জানা যায় যে ৩০ শে ডিসেম্বর সন্ধ্যে বেলায় তরুণী দুর্গাপুর এর অম্বুজা থেকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার মুহূর্তে প্রাক্তন কাউন্সিলার শশাঙ্ক শেখর মন্ডল এর দাদা শিবপ্রসাদ মন্ডল তরুণীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন আর তাঁর পরেই ঘটে এই নিন্দনীয় ঘটনা বলে অভিযোগ। নির্যাতিতার মা বলেন যে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর সহপাঠী সেই সুবাদে তাঁর মেয়ে তাঁকে কাকু বলত আর এই তথাকথিত এলাকার কাকু যিনি প্রাক্তন কাউন্সিলার শসাঙ্ক শেখর মন্ডল এর দাদা শিবপ্রসাদ মন্ডল তাঁর মেয়ের সঙ্গে অসভ্য আচরণ করে। নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী অভিযুক্ত ওয়েট লস ম্যানেজমেন্ট এর জন্যে ফোন করে ও তাঁর পরে তাঁকে অম্বুজা মোর থেকে সন্ধ্যে বেলায় গাড়িতে তুলে দুর্গাপুর ওমেন্স কলেজ থেকে হোস্টেল এভিনুই, ডিভিসি মোর, ইন্দো আমেরিকান হয়ে পিসিবল কারখানার রাস্তায় নিয়ে এসে আপত্তিকর ভাবে শারীরিক ঘনিস্ট হবার চেষ্টা করে এবং বোলপুর নিয়ে যাবার প্রলোভন দেখালে মেয়েটি কান্নাকাটি করতে থাকে ফলে অবস্থা বেগতিক দেখে মেয়েটিকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়ে চলে যায়। পরে মেয়েটি ঘরে এসে পরিবারকে সব ঘটনা জানায়। এর পরেই এলাকাবাসী থেকে পরিবার এবং বিরোধী দলের মহিলা নেত্রীরা এর
নিন্দায় মুখর হয়ে ওঠে। ৩১শে ডিসেম্বর ২০২৫ এই বিষয়ে একটি জেনারেল ডাইরি নথিভুক্ত হয় এবং ১ লা জানুয়ারী এলাকাবাসীরা থানার সামনে অভিযুক্তকে গ্রেফতার এর দাবীতে স্লোগান ও বিক্ষোভ দেখায়। এর পরে এফ,আই,আর করা হয় ২০২৩ সালের ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৭৪/৭৫ ধারা অনুযায়ী। পুলিশি তদন্তের আশ্বাস পেয়ে বিক্ষোভ উঠে যায় কিন্তু এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসী বীরেন মন্ডল থেকে কংগ্রেস এর মহিলা নেত্রী মেঘনা মান্না সহ বিজেপির দুর্গাপুর পশ্চিম এর তিন নাম্বার মন্ডল সভাপতি কাকলি গাঙ্গুলি তীব্র প্রতিবাদ করেন।
0 মন্তব্যসমূহ