সন্দীপ ভট্টাচার্য, দুর্গাপুর, ২৭শে ডিসেম্বর ২০২৫:-
আজ থেকে শুরু স্পেশাল ইনসেন্টিভ রিভিউ খসড়া তালিকার নামে যাদের ত্রুটি আছে সেই সমস্ত ব্যক্তিদের নথি পর্যলোচনা বা শুনানির দিন। আর প্রথম দিনেই প্রবীণ নাগরিকদের মধ্যে এই শুনানির চিঠির ফলে জমছে অসন্তোষ। কেউ ৮০ উর্দ্ধে কেউবা ৬০ থেকে ৭০ উর্দ্ধের মানুষ কারোর আছে ১৯৫৯ সালের ভারতীয় পাসপোর্ট আবার কারোর ২০০২ এর ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্বেও শুনানির জন্যে নোটিস। কেউ কেন্দ্রীয় সংস্থায় চাকরির পরে অবসর নেওয়ার পরেও আজ হাজির হচ্ছেন তাঁদের নাগরিকত্ব বজায় রাখার জন্যে সরকারি দপ্তরের দরজায়। কেউ প্রশ্ন তুলছেন নির্বাচন কমিশনের সার্ভার এর ডকুমেন্ট ম্যাপিং প্রক্রিয়ার উপরে কেউ বা বলছেন এটা বয়স্ক মানুষের উপরে নিপীড়ন। এক কথায় শীতের সকালে বয়স্ক মানুষদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে উদ্বেগ আর দুশ্চিন্তা। দুর্গাপুরের বাসিন্দা সুবর্ষণ সাহা বললেন ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম আছে তাও কেন ডেকেছে তিনি বুঝতে পারছেন না তিনি বলেন যে তাঁর মতো প্রবীণ নাগরিকদের এমন হয়রানি কী ঠিক? তিনি জানান তিনি দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার উচ্চ পদে দীর্ঘদিন কাজ করার পরে ২০০৩ সালে অবসর নেন তিনি এমন শুনানির নোটিসে হতবাক হয়ে যান।দুর্গাপুরের আরেক বাসিন্দা বীরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন এটা প্রবীণ দের উপরে নিপীড়ন চলছে। সেরকমই দুর্গাপুরের প্রিয়াঙ্কা নামে এক হার্টের রোগীর পরিবারের অভিযোগ দুর্গাপুর সাব ডিভিশন প্রশাসনিক ভবনে তাঁদের নোটিসে উপস্থিত থাকার কথা বলে হটাৎ তাঁদের বেশ খানিক টা দূরে ভিড়িঙ্গি তারকনাথ হাই স্কুল এ যেতে বলা হয় যার ফলে তারা বেশ অসন্তুষ্ট। শহর বাসীর অভিযোগ ৭০ থেকে ৮০ বছর এই প্রবীণ নাগরিকদের জন্যে কী একটু সহজ প্রক্রিয়া করা য়েতনা? সরকমই কবিগুরুর থেকে রাজলক্ষী মুখার্জি কে নিয়ে এসেছেন আত্রেয়ী মুখার্জী তাঁর পুত্র বধূ। আত্রেয়ী দেবী বলেন তিনি রাঁচি থেকে এসেছেন তাঁর শ্বাশুড়ি মায়ের দু বার স্ট্রোক হয়ে গেছে। অথচ এখানে এসে দেখেন তাঁদের সব কিছু ঠিক থাকলেও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট সিস্টেম এর সমস্যার জন্যে এই হয়রানি। মোটের উপর এই শুনানি নিয়ে জন মানসে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া।
0 মন্তব্যসমূহ