অভি ভট্টাচার্য, দুর্গাপুর,১৩ই জুন ২০২৬:- বামুননারা শিল্প তালুকে বিগত মাসের 22শে মে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি কারখানার ভাটি বিস্ফোরণ করে গুরুতর জখম হন ঠিকা শ্রমিক পরিমল বিশ্বাস, নিরঞ্জন বাগদি সহ আরো এক শ্রমিক। আর সেই সময় কারখানার কর্মরত শ্রমিকদের সুরক্ষা ও বঞ্চনার অভিযোগ ওঠে। প্রথমে রাজবাধ এর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও সেখান থেকে দুর্গাপুরের অন্য একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্যে স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ 21 দিন চিকিৎসায় থাকার পর আজ সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন পরিমল বিশ্বাস । এর পড়ে
বিধায়ক চন্দ্রশেখর ব্যানার্জী তৎপরতায় মৃত শ্রমিকের পরিবারের হাতে এককালীন ক্ষতিপূরণ হিসাবে ১৪ লক্ষ টাকা ও পরিবারের একজনের চাকরির প্রতিশ্রুতি ও শেষকৃত্য' বা অন্ত্যেষ্টির জন্য ৫০,০০০ টাকা তুলে দেওয়া হয় । কিন্তু এই মৃর্তু কিছু প্রশ্ন তুলে দেয়, শ্রমিকদের সুরক্ষা থেকে প্রাপ্য অধিকার নিয়ে। বর্তমান সরকার কী কড়া মনোভাব নেবেন না বঞ্চিত হবে শ্রমিকরা? উক্ত ঘটনার দিনে শুভাশিস মুখার্জী, বিজেপির মন্ডল সভাপতি তিনি দাবি করেছিলেন যে কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের প্রভিডেন্ট ফান্ড ও ইএসআই এর মত সুবিধা গুলি থেকে কর্মীরা বঞ্চিত। দুর্ঘটনায় দীর্ঘ চিকিৎসার পড়ে নিহত পরিমল বিশ্বাসের স্ত্রী শিউলি বিশ্বাস বিগত 22 শে মে জানিয়েছিলেন যে কারখানায় এরকম ঘটনা ঘটার পরেও কারখানা কর্তৃপক্ষ তাকে কোনরকম ভাবে এই ঘটনার কথা পরিবারকে জানাইনি পরবর্তীকালে শ্রমিকদের মুখে শুনে তিনি দৌড়ে এসেছিলেন হাসপাতালে। দুর্ঘটনায় নিহত পরিমল বিশ্বাস যে ঠিকাদারের কাছে কাজ করতেন
সেই ঠিকাদার বীরেন্দ্র যাদব ২২মে ২০২৬ জানিয়েছিলেন যে তাঁর ঠিকাদারি সংস্থার হয়ে কর্মরত পরিমল, সাধন ও সোমনাথ নামে শ্রমিকরা আহত এবং তাঁকে শ্রমিকদের প্রভিডেন্ট ফান্ড ও ই এস আই শ্রমিকদেরকে দেওয়া হয় কিনা এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানিয়েছিলেন যে না শ্রমিকরা এই সুবিধা পান না। আর এইখানেই প্রশ্ন কেন একটি কারখানায় কর্মরত শ্রমিকরা প্রভিডেন্ট ফান্ড ও ই এস আই পাবে না? আগামী দিন নতুন সরকার শ্রমিকদের স্বার্থে কি কি ব্যবস্থা নেয় তার দিকে তাকিয়ে শ্রমিক মহল।
0 মন্তব্যসমূহ