সন্দীপ ভট্টাচার্য, দুর্গাপুর, ৬ই মে ২০২৬:- গেরুয়া ঝড়ে প্রায় ধূলিসাৎ হয়ে গেল দুর্গাপুর সহ পশ্চিম বর্ধমানের তৃণমূলের সমস্ত অহংকার। দিকে দিকে গেরুয়া শিবিরের কর্মীদের উল্লাস আনন্দ আর একদিকে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান। ২০০০ সালের পড়ের থেকেই বিজেপি কর্মীদের বুকফাটা কান্না তো ছিলই তার সাথে ছিল মুখ বুজে অদম্য লড়াই কিন্তু সেই লড়াই গতি পেল ধীরে ধীরে তৃণমূলের বেশ কিছু পুরনো কর্মী যারা খুবই দুঃখে বিজেপিমুখী হয়েছিলেন ২০১৪ এর পরের থেকেই এই হার বৃদ্ধি পায় আর ২০২০ সালের পরের সময় থেকেই যখন শুভেন্দু অধিকারী সহ বেশ কিছু নেতৃত্ব তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি মুখী হন তাদের লড়াই তাদের সংগ্রাম গতি পায়। ১৫ বছরে বিজেপির পুরনো কর্মীদের ওপর নানা রকম অত্যাচার আর তৃণমুলের পুরোনো কর্মীদের বিজেপি মুখী হয়ে গেরুয়া ঝড়ের গতি সব মিলিয়ে এবারে পশ্চিম বর্ধমান সহ বাংলার অধিকাংশ জায়গায় তৃণমূলকে শূন্য করে দিল। আর তাই পদ্ম শিবির সাধারণ কর্মীদের মান্যতা ও স্বীকৃতি দিচ্ছে সবার আগে। নতুন করে বেনজল ঢুকতে বারণ করেছে বা বলা ভালো তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরে যে ভাবে দরজা খুলে তৃণমূলের পুরানো লড়াই করে তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনা কর্মীদের কে একঘরে করে নবগত সিপিএম হার্মাদ দের স্বাগত জানিয়েছিল আর বাম শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই কড়া তৃণমূল স্তরের কর্মীদের চোখে জল ফেলতে ফেলতে দল থেকে বসে যেতে বাধ্য করেছিল সেই পথে আপাতত হাটছে না বিজেপি । তৃণমূলের এই শোচনীয় পরাজয় এর কারন নেতৃত্বের বিলাসবহুল জীবন যাপন আর নিচুতলার কর্মীদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কিছু ধান্দাবাজ আর সুয়োগ সুবিধাবাদী লোকের সান্নিধ্যে নিজেদের ভাসিয়ে দেওয়া। দলের ক্ষমতাভোগী নেতৃত্বের গা ছাড়া জমিদারি মনোভাব সব মিলিয়ে তৃণমূল কে তিলে তিলে শেষ করে বাংলা জুড়ে পদ্মের বাগান সাজিয়েছে বাংলার মানুষ।
0 মন্তব্যসমূহ